Sunday, 23 March 2014

তাবলীগ সমালোচকদের দাঁত ভাঙ্গা জাবাব দেন আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী দা.

যে নিজে নিজে ভাল পথে চলে অন্যকে ভাল পথে চলার দাওয়াত দেয় না--
এই পথে চললে তুমি ধংশ হবে, এই পথে চললে তুমি জাহান্নামে যাবে-- 
এই পথে চললে তোমার শান্তি হবেনা, এই পথে চললে তোমার মুক্তি হবে না---
যারা মনে করে,অমুক মন্দ পথে চলে,সে জাহান্নামে যাবে আমার কি আসে যায়?
আমি ভাল পথে চলি, জাহান্নামে যাবো না- এটা আত্মাওয়ালার কথা নয়—
প্রশ্বস্ত আত্মার মনোভাব নয়।এটা অপরের কল্যাণকামিতার মনোভাব নয়।

অথচ গোটা মানবজাতির কল্যাণ কামনার জন্য তোমাদেরকে শ্রষ্ঠ উম্মত বানানো হয়েছে।
সুতারাং তোমরা শুধু জান বাঁচাতে চাইলে জান বাঁচাতে পারবে না।
নিজেও ভাল পথে চলবে অপরকেও ভাল পথে চলার দাওয়াত দিতে হবে।নিজে আল্লাহর পথে চলবে—
আর অপরকেও আল্লাহর পথে তাবলীগ করবে।এই উম্মত শ্রষ্ঠ উম্মত হওয়ার প্রধান কারনই হল
দাওয়াত ও তাবলীগ।

কিন্তু বর্তমান সময়ে যারা দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ করেন তাদের
অনেক সমালোচনা আছে বর্তমান সমাজে ।

উল্লেখযোগ্য হল—
তারা চিল্লা পেল কোথায়?
মনগরা ছয় উসূল পেল কোথায়?
এরা কেন মসজিদে থাকে-ঘুমায়?

আমি এ ধরনের সমালোচনার পর্যালোচনা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই।

প্রথম নম্বর : এরা চিল্লা পেল কোথায়?

চিল্লা তো কুরআন হাদীসে নেই। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের একটি আয়াত শুনাচ্ছি দেখবেন—
কুরআনে চিল্লার কথা আছে কি নেই। চিল্লা ফারসী শব্দ।বাংলা সমার্থক হলো চল্লিশ দিনের সাধনা। আরবীতে বলে আরবাঈন অথবা আরবাঈনা।বাংলাটা আমাদের সমাজে প্রচলিত নয়।
আরবী তো আমাদের সমাজে বুঝেই না। এই ফারসী শব্দটাই আমাদের সমাজে চালু হয়ে গেছে ।
চিল্লা- চল্লিশ দিনের সাধনা। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন কুরআনে বলেন- স্মরণ করো!
সেই দিনের ইতিহাস! যে দিন আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন হযরত মূসা আ. কে দিনে রাতে
চল্লিশ দিনের সাধনার জন্য তূর পাহাড়ে নিয়ে ছিলেন। (সূরা বাকারা: ৫১) কে নিয়ে ছিলেন ? আল্লাহ।কাকে নিয়ে ছিলেন ? হযরত মূসা আ. কে। কোথায় নিয়ে ছিলেন ? তূর পাহাড়ে।
কিসের জন্য? চল্লিশ দিনের সাধনার জন্য । এই কথাটার নামই চিল্লা ।কুরআনে নেই কোথায়?
চোখ খুলে কুরআন দেখো না কেন?

কিন্তু প্রশ্ন হল,তিনি তো নবী ছিলেন ,আমরা তো নবী নই। হযরত মূসা আ.-কে চিল্লা দেওয়ার জন্য তূর পাহাড়ে নিয়ে গেলেন-তিনি নবী ছিলেন , আমরা তো নবী নই। আমরা কেন চিল্লা দিতে যাব?

প্রত্যেক টা মানুষ মায়ের গ্রর্ভে যখন দেহ স্থানান্তিত হয়,বাবার শরীরের এক বিন্দু পানি আর মায়ের শরীরের এক বিন্দু পানি একত্র হয়ে যখন মায়ের গর্ভথলেতে প্রবেশ করে তখন থেকেই আল্লাহ একজন ফিরিশতা মোতায়েনকরে দেন প্রতি চল্লিশ দিনের এক একটা সাধানার মাধ্যমে এক একটা পরিবর্তন ঘটানোর জন্য। প্রথম চিল্লায় পানির বিন্দু থাকে।দ্বীতীয় চিল্লায় রক্তের বিন্দুতে পরিণত হয়।তৃতীয় চিল্লায় মাংশ পিন্ডে পরিণত হয়। চতুর্থ চিল্লায় হাড় গজায় ।পঞ্চম চিল্লায় রূহের সঞ্চার হয়।ষষ্ট চিল্লায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গজায়।সপ্তম চিল্লায় পৃথিবীর আলো-বাতাস সহ্য করার যোগ্য হয় । অষ্টম চিল্লা দিয়ে পৃথিবীতে বের হয়ে আসে।

সুতারাং দেখা গেল সাধারণত: প্রতিটি মানব সন্তানই আপন আপন মায়ের পেটে আট চিল্লা দিয়ে আসে।
এই আট চিল্লাকি শুধু গাট্টিওয়ালা তাবলীগের লোকেরাই দিয়ে আসে,না ঐ বিরুদ্ধবাদীরাও প্রত্যেকেই
দিয়ে এসেছ,এখন অস্বীকার করো কেন?

দুনিয়াতে আসার পরও চিল্লার কথা হাদীসে আছে
তারা এখন বলে যে,সাত চিল্লা দেয়াটা মায়ের গর্ভের ভিতরের কথা। মায়ের গর্ভে থাকতে তো আমরাও দিয়ে এসেছি,কিন্তু এখন কেন দেবো? এখন তো আমরা আর মায়ের গর্ভে নই,বরং দুনিয়াতে আছি।
তাদের এই প্রশ্নের জবাবে উপস্থিত আছে মহানবী সা. এর এই হাদীস মুবারক।ইরশাদ হয়েছে:
আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি একাদারে চল্লিশ দিন পর্যন্ত ইমামের সাথে ‘তাকবীরে উলা’সহকারে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করবে তাকে পাঁচটি মহান পুরস্কার দেয়া হবে। ১ম পুরস্কার হলো তাকে মুনাফিকের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে খাঁটি মুমিনের দফতরে তার নাম লিপিবদ্ধ করা হবে।... ইমামের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ৪০দিন পর্যন্ত তাকবীরে উলার সাথে আদায় করার বিষয়টি আমাদের এই দুনিয়ার বিষয় কিনা? সুতরাং এর দ্বারা পরিস্কার হয়ে গেল যে,দুনিয়ায় আসার পরেও চিল্লার কথা হাদীসে আছে।

দ্বিতীয় নম্বর : এরা মনগরা ছয় উসূল পেল কোথায়?

তাবলীগের ছয় উসূল না মানলে মুমিন না কাফির?

ছয় উসূলের প্রথমটি হল: কালিমা.!
এবার আপনারা বলুন তো ছয় উসুলের প্রথম টা না মানলে কি হবে??

দ্বিতীয় নাম্বার উসূল হল নামায.!
এবার আপনারা বলুন তো,যারা নামাযকে মানবে না, বরং অস্বীকার করবে;
তারা মুমিন না কাফির হবে??

তৃতীয় নাম্বার উসূল হল ইলম ও যিকির.!
ইলম বলা হয় কুরআন-হাদীসের জ্ঞানকে.! আর কুরআন-হাদীস যে মানে না
সে কি সুন্নি না কাফির??

চতুর্থ নাম্বার উসূল হল ইকরামুল মুসলিমীন.!
মহানবী সাঃ ইরশাদ করেন...মান লাম ইয়ার হাম সগিরনা ওয়ালাম ইউকার কাবিরনা পালাইচা মিন্না.! অর্থঃ"যারা ছোটদেরকে স্নেহ করে না, বড়দেরকে সম্মান করে না, তারা আমাদের উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়" সুতরাং এখন আপনারাই বলুন, যারা এই ইকরামুল মুসলিমীন মানবে না, তারা কি মুমিন থাকবে না কাফির হবে??

৫ম নাম্বার উসূল হল সহিহ নিয়ত.!
মহানবী সাঃ ইরশাদ করেন: ইন্নামাল আ-মালু বিন্নিয়াত, অর্থঃ"সমস্ত আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল" এবার আপনারাই বলুন ইসলাহে নিয়ত না মানলে সে কি হবে??

ষষ্ঠ নাম্বার উসূল হল তাবলিগ !
মহান আল্লাহ লাববুল আলামীন তাঁর রাসূলকে লক্ষ্য করে ইরশাদ করেছেন অর্থঃ "হে রাসূলে কারীম সাঃ.! আপনার মহান প্রভুর পক্ষ থেকে আপনার নিকট যা অবতীর্ণ করা হয়, তা আমার বান্দাদের কাছে তাবলীগ করুন বা পৌছাতে থাকুন.! যদি একটা কথাও তাবলীগ করা বাকী থাকে, তাহলে আপনার রিসালাতের দায়িত্ব অসমাপ্ত থেকে যাবে.!" (সূরা মায়েদা: ৬৭) এই আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা মহানবী সাঃ কে বাল্লিগ 'তুমি তাবলীগ করো' বলেছেন.! আর এরপর মহানবী সাঃ উম্মতদেরকে লক্ষ্য করে বলেছেন : বাল্লিগু আন্নি ওয়ালাউ আ-য়াহ.! অর্থাত "তোমরা সকলে আমার থেকে বুঝে বিষয়াবলী অপরদের কাছে পৌছে দাও.! বেশী না পারলে অল্প হলেও তাবলীগ করো.! অন্ততপক্ষে একটি আয়াত বা বিষয় হলেও পৌছে দাও.! এবার আপনারাই বলুন., যারা কোরআনের এ আয়াত ও এ হাদীস মানবে না, তারা মুমীন না কাফির??

তৃতীয় নাম্বার : এরা কেন মসজিদে থাকে-ঘুমায়?

দ্বীনের কাজে মসজিদে থাকা ঘুমানো এবাদাত রাসূল সা. এর মসজিদে একদল সাহাবায়ে কেরাম রা.
দ্বীনের কাজে মসজিদে থাকতেন খাইতেন ঘুমাতেন


যে নিজে নিজে ভাল পথে চলে অন্যকে ভাল পথে চলার দাওয়াত দেয় না--
এই পথে চললে তুমি ধংশ হবে, এই পথে চললে তুমি জাহান্নামে যাবে-- 
এই পথে চললে তোমার শান্তি হবেনা, এই পথে চললে তোমার মুক্তি হবে না---
যারা মনে করে,অমুক মন্দ পথে চলে,সে জাহান্নামে যাবে আমার কি আসে যায়?
আমি ভাল পথে চলি, জাহান্নামে যাবো না- এটা আত্মাওয়ালার কথা নয়—
প্রশ্বস্ত আত্মার মনোভাব নয়।এটা অপরের কল্যাণকামিতার মনোভাব নয়।

অথচ গোটা মানবজাতির কল্যাণ কামনার জন্য তোমাদেরকে শ্রষ্ঠ উম্মত বানানো হয়েছে।
সুতারাং তোমরা শুধু জান বাঁচাতে চাইলে জান বাঁচাতে পারবে না।
নিজেও ভাল পথে চলবে অপরকেও ভাল পথে চলার দাওয়াত দিতে হবে।নিজে আল্লাহর পথে চলবে—
আর অপরকেও আল্লাহর পথে তাবলীগ করবে।এই উম্মত শ্রষ্ঠ উম্মত হওয়ার প্রধান কারনই হল
দাওয়াত ও তাবলীগ।

কিন্তু বর্তমান সময়ে যারা দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ করেন তাদের
অনেক সমালোচনা আছে বর্তমান সমাজে ।

উল্লেখযোগ্য হল—
তারা চিল্লা পেল কোথায়?
মনগরা ছয় উসূল পেল কোথায়?
এরা কেন মসজিদে থাকে-ঘুমায়?

আমি এ ধরনের সমালোচনার পর্যালোচনা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই।

প্রথম নম্বর : এরা চিল্লা পেল কোথায়?

চিল্লা তো কুরআন হাদীসে নেই। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের একটি আয়াত শুনাচ্ছি দেখবেন—
কুরআনে চিল্লার কথা আছে কি নেই। চিল্লা ফারসী শব্দ।বাংলা সমার্থক হলো চল্লিশ দিনের সাধনা। আরবীতে বলে আরবাঈন অথবা আরবাঈনা।বাংলাটা আমাদের সমাজে প্রচলিত নয়।
আরবী তো আমাদের সমাজে বুঝেই না। এই ফারসী শব্দটাই আমাদের সমাজে চালু হয়ে গেছে ।
চিল্লা- চল্লিশ দিনের সাধনা। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন কুরআনে বলেন- স্মরণ করো!
সেই দিনের ইতিহাস! যে দিন আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন হযরত মূসা আ. কে দিনে রাতে
চল্লিশ দিনের সাধনার জন্য তূর পাহাড়ে নিয়ে ছিলেন। (সূরা বাকারা: ৫১) কে নিয়ে ছিলেন ? আল্লাহ।কাকে নিয়ে ছিলেন ? হযরত মূসা আ. কে। কোথায় নিয়ে ছিলেন ? তূর পাহাড়ে।
কিসের জন্য? চল্লিশ দিনের সাধনার জন্য । এই কথাটার নামই চিল্লা ।কুরআনে নেই কোথায়?
চোখ খুলে কুরআন দেখো না কেন?

কিন্তু প্রশ্ন হল,তিনি তো নবী ছিলেন ,আমরা তো নবী নই। হযরত মূসা আ.-কে চিল্লা দেওয়ার জন্য তূর পাহাড়ে নিয়ে গেলেন-তিনি নবী ছিলেন , আমরা তো নবী নই। আমরা কেন চিল্লা দিতে যাব?

প্রত্যেক টা মানুষ মায়ের গ্রর্ভে যখন দেহ স্থানান্তিত হয়,বাবার শরীরের এক বিন্দু পানি আর মায়ের শরীরের এক বিন্দু পানি একত্র হয়ে যখন মায়ের গর্ভথলেতে প্রবেশ করে তখন থেকেই আল্লাহ একজন ফিরিশতা মোতায়েনকরে দেন প্রতি চল্লিশ দিনের এক একটা সাধানার মাধ্যমে এক একটা পরিবর্তন ঘটানোর জন্য। প্রথম চিল্লায় পানির বিন্দু থাকে।দ্বীতীয় চিল্লায় রক্তের বিন্দুতে পরিণত হয়।তৃতীয় চিল্লায় মাংশ পিন্ডে পরিণত হয়। চতুর্থ চিল্লায় হাড় গজায় ।পঞ্চম চিল্লায় রূহের সঞ্চার হয়।ষষ্ট চিল্লায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গজায়।সপ্তম চিল্লায় পৃথিবীর আলো-বাতাস সহ্য করার যোগ্য হয় । অষ্টম চিল্লা দিয়ে পৃথিবীতে বের হয়ে আসে।

সুতারাং দেখা গেল সাধারণত: প্রতিটি মানব সন্তানই আপন আপন মায়ের পেটে আট চিল্লা দিয়ে আসে।
এই আট চিল্লাকি শুধু গাট্টিওয়ালা তাবলীগের লোকেরাই দিয়ে আসে,না ঐ বিরুদ্ধবাদীরাও প্রত্যেকেই
দিয়ে এসেছ,এখন অস্বীকার করো কেন?

দুনিয়াতে আসার পরও চিল্লার কথা হাদীসে আছে
তারা এখন বলে যে,সাত চিল্লা দেয়াটা মায়ের গর্ভের ভিতরের কথা। মায়ের গর্ভে থাকতে তো আমরাও দিয়ে এসেছি,কিন্তু এখন কেন দেবো? এখন তো আমরা আর মায়ের গর্ভে নই,বরং দুনিয়াতে আছি।
তাদের এই প্রশ্নের জবাবে উপস্থিত আছে মহানবী সা. এর এই হাদীস মুবারক।ইরশাদ হয়েছে:
আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি একাদারে চল্লিশ দিন পর্যন্ত ইমামের সাথে ‘তাকবীরে উলা’সহকারে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করবে তাকে পাঁচটি মহান পুরস্কার দেয়া হবে। ১ম পুরস্কার হলো তাকে মুনাফিকের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে খাঁটি মুমিনের দফতরে তার নাম লিপিবদ্ধ করা হবে।... ইমামের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ৪০দিন পর্যন্ত তাকবীরে উলার সাথে আদায় করার বিষয়টি আমাদের এই দুনিয়ার বিষয় কিনা? সুতরাং এর দ্বারা পরিস্কার হয়ে গেল যে,দুনিয়ায় আসার পরেও চিল্লার কথা হাদীসে আছে।

দ্বিতীয় নম্বর : এরা মনগরা ছয় উসূল পেল কোথায়?

তাবলীগের ছয় উসূল না মানলে মুমিন না কাফির?

ছয় উসূলের প্রথমটি হল: কালিমা.!
এবার আপনারা বলুন তো ছয় উসুলের প্রথম টা না মানলে কি হবে??

দ্বিতীয় নাম্বার উসূল হল নামায.!
এবার আপনারা বলুন তো,যারা নামাযকে মানবে না, বরং অস্বীকার করবে;
তারা মুমিন না কাফির হবে??

তৃতীয় নাম্বার উসূল হল ইলম ও যিকির.!
ইলম বলা হয় কুরআন-হাদীসের জ্ঞানকে.! আর কুরআন-হাদীস যে মানে না
সে কি সুন্নি না কাফির??

চতুর্থ নাম্বার উসূল হল ইকরামুল মুসলিমীন.!
মহানবী সাঃ ইরশাদ করেন...মান লাম ইয়ার হাম সগিরনা ওয়ালাম ইউকার কাবিরনা পালাইচা মিন্না.! অর্থঃ"যারা ছোটদেরকে স্নেহ করে না, বড়দেরকে সম্মান করে না, তারা আমাদের উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়" সুতরাং এখন আপনারাই বলুন, যারা এই ইকরামুল মুসলিমীন মানবে না, তারা কি মুমিন থাকবে না কাফির হবে??

৫ম নাম্বার উসূল হল সহিহ নিয়ত.!
মহানবী সাঃ ইরশাদ করেন: ইন্নামাল আ-মালু বিন্নিয়াত, অর্থঃ"সমস্ত আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল" এবার আপনারাই বলুন ইসলাহে নিয়ত না মানলে সে কি হবে??

ষষ্ঠ নাম্বার উসূল হল তাবলিগ !
মহান আল্লাহ লাববুল আলামীন তাঁর রাসূলকে লক্ষ্য করে ইরশাদ করেছেন অর্থঃ "হে রাসূলে কারীম সাঃ.! আপনার মহান প্রভুর পক্ষ থেকে আপনার নিকট যা অবতীর্ণ করা হয়, তা আমার বান্দাদের কাছে তাবলীগ করুন বা পৌছাতে থাকুন.! যদি একটা কথাও তাবলীগ করা বাকী থাকে, তাহলে আপনার রিসালাতের দায়িত্ব অসমাপ্ত থেকে যাবে.!" (সূরা মায়েদা: ৬৭) এই আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা মহানবী সাঃ কে বাল্লিগ 'তুমি তাবলীগ করো' বলেছেন.! আর এরপর মহানবী সাঃ উম্মতদেরকে লক্ষ্য করে বলেছেন : বাল্লিগু আন্নি ওয়ালাউ আ-য়াহ.! অর্থাত "তোমরা সকলে আমার থেকে বুঝে বিষয়াবলী অপরদের কাছে পৌছে দাও.! বেশী না পারলে অল্প হলেও তাবলীগ করো.! অন্ততপক্ষে একটি আয়াত বা বিষয় হলেও পৌছে দাও.! এবার আপনারাই বলুন., যারা কোরআনের এ আয়াত ও এ হাদীস মানবে না, তারা মুমীন না কাফির??

তৃতীয় নাম্বার : এরা কেন মসজিদে থাকে-ঘুমায়?

দ্বীনের কাজে মসজিদে থাকা ঘুমানো এবাদাত রাসূল সা. এর মসজিদে একদল সাহাবায়ে কেরাম রা.
দ্বীনের কাজে মসজিদে থাকতেন খাইতেন ঘুমাতেন

No comments:

Post a Comment